অ্যাসাইনমেন্টএইচএসসিশিক্ষা

এইচএসসি (HSC) ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১২তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২

(HSC) এইচএসসি ২০২২ ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ১২তম সপ্তাহ

এইচএসসি (HSC) ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১২তম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২২। এইচএসসি (HSC) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমাধান ২০২২। HSC (Class 11-12) Assignment 2022. একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ বারো সপ্তাহের জন্য। বাংলাদেশের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী বর্তমানে ইন্টারনেটের এইচএসসি অ্যাসাইনমেন্ট সলিউশন ২০২২ পাওয়ার জন্য অনুসন্ধান করছে। ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার এসাইনমেন্ট PDF। HSC Assignment 2022 12th week. ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। Hsc Business Organization And Management 1st Paper Assignment Answers 12th Week 2022, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র Hsc ১২তম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট ২০২২।


এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ 

ব্যবসায়িক পরিবেশের অনুকূল উপাদানের উপস্থিতি ব্যবসায়ের সফলতা অর্জনে সহায়কবিষয়টির যৌক্তিকতা নিরূপণ

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • ১. ব্যবসায় পরিবেশের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে,
  • ২. ব্যবসায় পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান ব্যাখ্যা করতে পারবে,
  • ৩, ব্যবসায়ের উপর পরিবেশের উপাদানগুলাের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারবে,
  • ৪. ব্যবসায় পরিবেশের উপাদানগুলাের মধ্যে। কোনগুলাে বাংলাদেশে অনুকূল বা প্রতিকুল তা চিহ্নিত করতে পারবে, 
  • ৫. বাংলাদেশে ব্যবসায় পরিবেশ উন্নয়নের পথে সমস্যাগুলাে শনাক্ত করতে পারবে বাংলাদেশে ,
  • ৬. ব্যবসায়ের পরিবেশ উন্নয়নের পথে বিদ্যমান সমস্যাগুলাে দূর করার উপায় চিহ্নিত করতে পারবে।,
আরো পড়ুনঃ  নবম (৯ম) শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২ (২য় সপ্তাহ)

নির্দেশনা :  

  • ব্যবসায় পরিবেশের উপাদানসহ এর ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে
  • ব্যবসায়ের উপর প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত পরিবেশের উপাদনগুলাের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে হবে। 
  • ব্যবসায় পরিবেশের উপর সমস্যা সৃষ্টিকারী উপাদান চিহ্নিতকরণসহ ব্যাখ্যা করতে হবে
  • ব্যবসায় পরিবেশের উন্নয়নের সমস্যা সমাধানের উপায় বর্ণনা করতে হবে (প্রয়ােজনে নিজ জীবনের অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে)।

কাজ :

  • ব্যবসায় পরিবেশের ধারণা
  • ব্যবসায় পরিবেশের উপাদান
  • ব্যবসায় পরিবেশের উপাদানগুলাের প্রভাব
  • ব্যবসায় পরিবেশের উপর সমস্যা সৃষ্টিকারী উপাদান চিহ্নিতকরণ 
  • ব্যবসায় পরিবেশ উন্নয়নের সমস্যা সমাধানের উপায়

এসাইনমেন্টের উত্তর এখান থেকে শুরুঃ…….

ব্যবসায় পরিবেশের ধারণা

উত্তর:

আমরা জানি যে, একটি দেশের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানসমূহ যে পারিপার্শ্বিক অবস্থার মধ্য দিয়ে গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ব্যবসায় পরিবেশ বলা হয়।

ব্যবসায়িক পরিবেশ হল ব্যবসায় সংগঠন পরিবেষ্টিত সকল অবস্থা, উপাদান ও শক্তির সমষ্টি যা উক্ত ব্যবসায় বা তার ব্যবস্থাপকের কার্যকারিতা বা সফলতাকেই প্রভাবিত করে। সাধারণত রাজনৈতিক পট পরিবর্তন, সরকারের নতুন নতুন নীতি ও আইন, কর ব্যবস্থা ও অবকাঠামো, শ্রমিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিক্ষার উন্নতি, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইত্যাদি উপাদান ব্যবসায়িক কার্যক্রম কে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে। ব্যবসায় পরিবেশ অনুকূল বা প্রতিকূল হতে পারে। কোন স্থানের ব্যবসায় উন্নতি নির্ভর করে ব্যবসায়িক পরিবেশের উপর। পরিবেশ ব্যবসায় বা শিল্প স্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়

ব্যবসায় পরিবেশের উপাদান

উত্তর:

ব্যবসায় পরিবেশের উপাদন সমূহ:

  1. প্রাকৃতিক পরিবেশ
  2. অর্থনৈতিক পরিবেশ
  3. সামাজিক পরিবেশ
  4. রাজনৈতিক পরিবেশ
  5. প্রযুক্তিগত পরিবেশ
  6. আইনগত পরিবেশ

ব্যবসায় পরিবেশের উপাদানগুলাের প্রভাব

উত্তর:

১. প্রাকৃতিক পরিবেশ: একটি দেশের আবহাওয়া, জলবায়ু, ভূ-প্রকৃতি, মৃত্তিকা, সাগর, নদ-নদী, আয়তন, অবস্থান, প্রাকৃতিক সম্পদ ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে তাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে।

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করার আগে প্রাকৃতিক বিষয়গুলি বিবেচনা করা উচিত। কারণ ব্যবসায় প্রাকৃতিক পরিবেশ দ্বারা খুব বেশি প্রভাবিত হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন: বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, সুনামি ইত্যাদি ব্যবসায়ের পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে।

২. অর্থনৈতিক পরিবেশ: কোনো দেশে জনগণের আয় ও সঞ্চয়, অর্থ ও ঋণ ব্যবস্থা, বিনিয়োগ, মূলধন ও জনসম্পদ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক নীতি, বাণিজ্য চক্র, অর্থনৈতিক সম্পদ ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে যে পরিবেশের গঠিত হয় তাকে অর্থনৈতিক পরিবেশ বলে।

অর্থনৈতিক পরিবেশ একটি দেশের ব্যবসায়ের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিটি দেশে আলাদা আলাদা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পুঁজিবাদ, সমাজতন্ত্র এবং মিশ্র অর্থনীতি অন্তর্ভুক্ত।

৩. সামাজিক পরিবেশ: একটি দেশের সমাজের বা জাতির মানুষের সংখ্যা, ধর্ম, বিশ্বাস, চিন্তা-চেতানা, শিক্ষা-সংস্কৃতি, রীতি-নীতি, দৃষ্টিভঙ্গি, মতামত, জীবন শৈলী ও দেশীয় ঐতিহ্য এসব মিলিয়ে যে পারিপার্শ্বিকতা গড়ে ওঠে তাকে সামাজিক পরিবেশ বলে।

সামাজিক পরিবেশ বলতে আর্থ-সাংস্কৃতিক পরিবেশকে বোঝায়। একটি সমাজের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বাস, আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশা, ইচ্ছা, অভ্যাস, রীতিনীতি ইত্যাদির ব্যবসায়কে প্রভাবিত করে থাকে।

৪. রাজনৈতিক পরিবেশ:

রাজনৈতিক পরিবেশ হলো একটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেমন:  দেশের সার্বভৌমত্ব, সরকারের স্থিতিশীলতা, দৃষ্টিভঙ্গি, রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও তাদের চিন্তা-ভাবনা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ইত্যাদি মিলিত হয়ে যে পারিপার্শ্বিকতার সৃষ্টি হয় তাকে রাজনৈতিক পরিবেশ বলে।

ব্যবসায়ের উপর রাজনৈতিক পরিবেশের প্রভাব রয়েছে বহুগুণে। একটি দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা সেই দেশের ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপগুলি: সিদ্ধান্ত, প্রচার, উৎসাহ, অবস্থান, নির্দেশ এবং নিয়ন্ত্রণ করে। দক্ষ ও গতিশীল রাজনৈতিক ব্যবস্থা জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে এবং নাগরিকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা দেয়। এটি অর্থনৈতিক বিকাশের একটি প্রাথমিক উপাদান।

৫. প্রযুক্তিগত পরিবেশ: ব্যবসায়ের পরিবেশের প্রযুক্তিগত উপাদানগুলি যেমন: বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা, গবেষণা, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রযুক্তি আমদানির সুযোগ ইত্যাদি মিলিয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে তাকে প্রযুক্তিগত পরিবেশ বলে।

মানসম্মত পণ্য ও পরিষেবা, পণ্যগুলির গুণমান, উৎপাদনশীলতা এবং প্যাকেজিংয়ের জন্য উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন: যন্ত্রপাতি এবং অটোমেশন ইত্যাদি। একটি প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায় পরিবেশে প্রযুক্তি উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। প্রযুক্তি ব্যবসায়কে আরও উন্নত ও দ্রুত চালাতে সহায়তা করে। নতুন প্রযুক্তি গ্রাহকদের কাছে নতুন পণ্য এবং পরিষেবা সরবরাহ করতে সহায়তা করে।

৬. আইনগত পরিবেশ: একটি দেশের বাণিজ্যিক আইন, শিল্প আইন, পরিবেশ সংক্ষরণ আইন, আন্তর্জাতিক আইন, ভোক্তা আইন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা আইন ইত্যাদি মিলিত হয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে তাকে আইনগত পরিবেশ বলে।

অবৈধ ও বেআইনি ব্যবসায়িক কার্যক্রম রোধ করতে সরকার বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করে সাধরণ জনগণকে রক্ষা করার জন্য। একজন ব্যবসায়ীকে সরকারের প্রদত্ত সকল আইন মেনেই ব্যবসায় পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। সুতরাং আইনগত পরিবেশ ব্যবসায়ের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে থাকে।

ব্যবসায় পরিবেশের উপর সমস্যা সৃষ্টিকারী উপাদান চিহ্নিতকরণ ও ব্যবসায় পরিবেশ উন্নয়নের সমস্যা সমাধানের উপায়

উত্তর:

একটা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য পরিবেশ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণে পরিবেশের বিভিন্ন ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে এক রকম ব্যবসা। পরিবেশ গুলাে যদি উৎপাদনের জন্য বেশি সহায়ক হয় তাহলে নতুন নতুন ব্যবসা বাণিজ্য এবং শিল্প সহজে স্থাপন করা সম্ভব হয়। ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণে পরিবেশের প্রভাব আলােচনা করা হলঃ

১। স্থিতিশীল রাজনৈতিক অবস্থাঃ রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল থাকলে দেশের যে কোন প্রান্ত হতে উৎপাদনের জন্য কাচামাল সহজেই সংগ্রহ করা যায়। এজন্য একজন ব্যবসায়ী হিসেবে স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশকে বেশি বিবেচনায় রাখবেন। রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল থাকলে পরিবহনের ক্ষেত্রে জটিলতা পােহাতে হয় না।

২। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারঃ প্রযুক্তিগত পরিবেশের পর্যাপ্ত পরিমান সুবিধা থাকলে উৎপাদন কার্যক্রম দ্রুত এবং অপচয় রােধ করার মাধ্যমে করা সম্ভব। যে সমস্ত স্থানে উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, সেখানে উৎপাদন এবং উৎপাদনশীলতার হার বেশি থাকে। আধুনিক প্রযুক্তি উৎপাদন ব্যবস্থা কে অনেক বেশি সহজ করে দিয়েছে। যেটা মানুষ করতে অনেক বেশি সময় লাগতাে, সেটা অল্প সময়ের মধ্যে সম্ভব হচ্ছে। তাই ব্যবসায়ীক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যবসায় পরিচালক সব সময় আধুনিক প্রযুক্তিতে জোরদার দান করবে।

৩। জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থাঃ

একটা সময় বা এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান বা অর্থনৈতিক অবস্থা যদি ভালাে হয় তাহলে ঐ সমস্ত স্থানে খুব সহজে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা যায়। যদি মানুষজন তাদের উন্নত জীবনযাত্রা নিয়ে সচেতন, ওই ক্ষেত্রে জনগণ তাদের চাহিদা অনুযায়ী নিয়মিত পণ্য সামগ্রী সংগ্রহ করবে। এদিকে ব্যবসায়ীরা পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদন করতে পারবে এবং এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করে যেতে পারবে।

৪) আইনি জটিলতাঃ আইনের জটিলতা বেশি থাকলে সব ধরনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়না। কারণ সরকার যদি কোন পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করে তাহলে ওই দেশে সব ধরনের পণ্য উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। তাই ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীকে আইনগত দিক সমূহ বিবেচনায় রাখতে হবে।

৫) পর্যাপ্ত কাঁচামালের সহজলভ্যতাঃ পর্যাপ্ত শ্রমিক এবং উৎপাদনের কাঁচামাল সহজলভ্য হলে উৎপাদন কার্যক্রমও সহজ হবে। কারণ উৎপাদনের কাঁচামাল যদি খুব সহজে সংগ্রহ করা যায় তাহলে উৎপাদন খরচ কমে যাবে। ব্যবসায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ব্যবসার জন্য কাঁচামালের উৎস এবং সহজলভ্যতার বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। কারণ পরিবেশের উপাদানগুলাে আমাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম কে অনেক বেশি প্রভাবিত করে।

এসাইনমেন্টের উত্তর এখানে শেষ…….

বিশেষ সতর্কতা: উপরোক্ত নমুনা উত্তরগুলো দেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হল, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত বিষয়ের উপর ধারণা দেওয়া। ধারণা নেওয়ার পর অবশ্যই নিজের মত করে এসাইনমেন্ট লিখতে হবে। উল্লেখ্য যে, হুবহু লেখার কারণে আপনার উত্তর পত্রটি বাতিল হতে পারে। এ সংক্রান্ত কোন দায়ভার সারগো আইটি-এর নয়।

আমাদের কাজের মধ্যে কোন প্রকার ভুল ত্রুটি দেখা গেলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানান। প্রতি সপ্তাহের সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। আমাদের কাছ থেকে ন্যূনতম সাহায্য পেয়ে থাকলে আপনাদের অন্যান্য বন্ধুদের সাথে ওয়েবসাইটটিকে ফেসবুকে শেয়ার দিতে পারেন।

সারগো এডুকেশন

শিক্ষা সম্পর্কিত যে কোন আপডেট যেমনঃ ভর্তি, নোটিশ, রেজাল্ট, এই ওয়েব সাইটে সবার আগে প্রকাশ করা হয়। তাই যে কোন আপডেট সবার আগে পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত দেখুন এবং ই-মেইল সাবস্ক্রিপশন অন করে রাখুন।

Leave a Reply

Back to top button

Adblock Detected

Please Disable your AdBlocker