Squid Game শো’র নামে ছড়াচ্ছে ভাইরাস, আপনার ডিভাইসে নেই তো গুগল প্লে স্টোর নিষিদ্ধ এই অ্যাপ

Squid Game শো’র নামে ছড়াচ্ছে ভাইরাস, আপনার ডিভাইসে নেই তো গুগল প্লে স্টোর নিষিদ্ধ এই অ্যাপ

সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই, Netflix (নেটফ্লিক্স)-এর ‘Squid Game’ (স্কুইড গেম) শোটি বিশ্বব্যাপী দর্শকদের ব্যাপক আকৃষ্ট করেছে। অতিরিক্ত জনপ্রিয়তা পাওয়ায় লেটেস্ট ড্রামা সিরিজটি Netflix-এর সর্বকালের সুপার হিট শো-ও হয়ে উঠেছে! তবে বিনোদন সরবরাহ বা ভিডিও স্ট্রিমিংয়ে রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি পরিচিত ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মের এই ‘Squid Game’, হ্যাকারদের অনলাইন জালিয়াতি ঘটানোর নতুন হাতিয়ার হয়ে উঠেছে বলে মনে হচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, রিসার্চাররা সম্প্রতি এই সিরিজের নামে উপলব্ধ একটি গেম অ্যাপ্লিকেশন খুঁজে বের করেছেন, যা আদতে ম্যালওয়্যার অর্থাৎ দূষিত সফ্টওয়্যার ছাড়া কিছুই না। তাই কেউ শো সম্পর্কিত হিড়িকে সামিল হয়ে এই অ্যাপ ইন্সটল করে বসলে, তারা নিজের অজান্তেই হ্যাকারদের কবলে পড়বেন। বলে রাখি, ইতিমধ্যেই গুগল প্লে স্টোর এই অ্যাপ্লিকেশনটিকে চিহ্নিত করে রিমুভ করেছে; তবে আপনি যদি আগেই এটি ডাউনলোড করে থাকেন, তাহলে জেনে নিন কীভাবে আপনার ডিভাইসকে নিরাপদ রাখবেন।

‘Squid Game’ নামে ম্যালওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনের হদিশ

হালফিলে ইএসইটি (ESET)-এর ম্যালওয়্যার রিসার্চার লুকাস স্টেফানকো, জনপ্রিয় নেটফ্লিক্স সিরিজ স্কুইড গেমের নামে বিদ্যমান ম্যালওয়্যারটি শনাক্ত করেন এবং তিনি জানান, গেম অ্যাপ হিসেবে ছাড়াও ‘Squid Game Wallpaper 4K HD’ নামে পরিচিত একটি অ্যাপ জোকার ম্যালওয়্যারের প্রভাব বৃদ্ধি করছিল। তাঁর মতে, এমনিতে প্লে স্টোরে জোকার ম্যালওয়্যারের সংক্রমণের ঘটনাটি কোনো নতুন বিষয় নয়, তবে আশ্চর্যের বিষয় এটাই যে এই প্রথমবার কোনো নতুন হিট সিরিজের দর্শক এবং অনুগামীদের লক্ষ্য করে দুরাভিসন্ধিরা নিজেদের জাল বিস্তার করছে।

তিনি আরো জানান যে এই ধরণের অ্যাপ বিপজ্জনক বিজ্ঞাপন, অবাঞ্ছিত এসএমএস, ভুয়ো সাবস্ক্রিপশন ইত্যাদি দ্বারা ইউজারদের নাজেহাল করে। ফলে অন্যান্য ম্যালওয়্যার হামলার মতই এটিও ইউজারদের ডিভাইসে কব্জা করে তাদের ফাঁদে ফেলার এবং প্রিমিয়াম পরিষেবার বদলে তাদের টাকা ব্যয় করানোর চেষ্টা করছে

শুরুতেই বলেছি যে, গুগল, তার প্লে স্টোর থেকে উক্ত ম্যালওয়্যার অ্যাপটি সরিয়ে দিয়েছে। ফলে এটি থেকে নতুন করে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই। তবে যে সব অ্যান্ড্রয়েড ইউজাররা আগেই অ্যাপটি ডাউনলোড করেছেন, তাদের নিজের ডিভাইস বাঁচাতে অবিলম্বে অ্যাপটি ডিলিট করে এটির সমস্ত ডেটা বা পারমিশন অ্যাক্সেস রিমুভ করতে হবে। তাছাড়া কোম্পানি কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত অ্যাপ ছাড়া, এই ধরণের আনঅফিসিয়াল অ্যাপ বা সফ্টওয়্যার থেকে গা বাঁচাতে হবে – তা সে যতই প্রলুব্ধকর হোক না কেন!

আরো পড়ুনঃ  এখন টোল পেমেন্ট করা যাবে বিকাশে

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *